ইপিএলের বিগ সিক্সের ট্রান্সফার টার্গেট

গত ১২ মে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সকল ক্লাইম্যাক্সের অবসান ঘটেছে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২০১৮-১৯ মৌসুম শেষ হওয়ার সাথে সাথে ইউরোপিয়ান ফুটবল ক্লাবগুলো পরবর্তী মৌসুমের জন্য ঘর গোছানো শুরু করেছে। মৌসুম শেষে মাঠের ফুটবলে যখন বিরতি, তখন দলবদলের বাজারে ব্যস্ত সময় পার করতে হয় ক্লাবের কোচ এবং কর্মকর্তাদের।

ইতোমধ্যে ১৬ মে থেকে গ্রীষ্মকালীন দলবদল শুরু হয়েছে। চলবে আগস্টের ৮ তারিখ পর্যন্ত। এর মধ্যে প্রায় সব দলই খেলোয়াড় কেনাবেচার মাধ্যমে আগামী মৌসুমের রণকৌশল সাজাবে। ইপিএলের দলবদলে বিগ সিক্স তথা ম্যানচেস্টার সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, চেলসি, লিভারপুল, আর্সেনাল ও টটেনহামের দিকে সারাবিশ্বের ফুটবল ভক্তরা নজর রাখেন।

ম্যানইউ বস ওলে গানার সলশেয়ার ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, তার খেলোয়াড় চাই। লিগ চ্যাম্পিয়ন ও নগর প্রতিদ্বন্দ্বী সিটির থেকে তাদের পয়েন্ট ব্যবধান ছিল ৩২। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দলকে নতুনভাবে সাজানোর বিকল্প নেই সলশেয়ারের। বিগ সিক্সের অন্য পাঁচ দলও বিভিন্ন খেলোয়াড়কে দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তবে পুরো দলবদলের মৌসুমে খেলোয়াড় কেনাবেচায় নাটকীয়তার কোনো কমতি নেই। সেটা ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ার আগেই জানা যাবে। তার আগে জেনে নেওয়া যাক বিগ সিক্সের প্রধান টার্গেটে রয়েছেন যে সকল খেলোয়াড়।

সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারের খোঁজে ম্যানসিটি

সদ্য সমাপ্ত লিগের চ্যাম্পিয়ন ম্যানসিটি একজন ভালোমানের সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করছে। আর এই পজিশনে তাদের প্রথম পছন্দ অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের ২২ বছর বয়সী রদ্রি। স্পোর্টিং লিসবনের ব্রুনো ফার্নান্দেসকে কিনতে আগ্রহী নন পেপ গার্দিওলার। সেই কারণে এখন ৩৪ বয়সী ফার্নান্দিনহোর উত্তরসূরি হিসেবে অন্যান্য মিডফিল্ডারদের দিকে নজর রাখছেন সিটিজেন বস। এদিকে ম্যানসিটিতে ভিনসেন্ট কোম্পানির ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। তার বিকল্প হিসেবে একজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারও প্রয়োজন গার্দিওলার।

রদ্রিকে চায় ম্যানসিটি; Image Source: AFP

দলবদলের মৌসুমে ম্যানসিটির মূল টার্গেটে রয়েছেন ক্রিস্টাল প্যালেসের রাইট ব্যাক অ্যারন ওয়ান বিসাকা, লেস্টার সিটিতে লেফট ব্যাক বেন চিলওয়েল এবং ফুলহামের উইঙ্গার রায়ান সেসেগনন। এছাড়াও চার্লটনের হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মিডফিল্ডার জো আরিবোকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী ম্যানসিটি। এদিকে তারা বিক্রি করে দিতে পারেন বেঞ্জামিন মেন্ডিকে।

নতুন খেলোয়াড় কেনার দিকে আগ্রহী নন ক্লপ

বর্তমান লিভারপুলের স্কোয়াডে কোনো কমতি নেই বললেই চলে। পরিপূর্ণ দল নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট অলরেডদের জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। লিভারপুল বর্তমানে নতুন খেলোয়াড় কেনার চেয়ে তাদের স্কোয়াডে থাকা পুরনো খেলোয়াড়দের আরো বেশি দক্ষ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সে কারণে এবারে দলবদলের মৌসুমে লিভারপুলের খেলোয়াড় কেনার তালিকায় খুব কম সংখ্যক ফুটবলারকে দেখা যেতে পারে।

লিভারপুলের মালিকানা প্রতিষ্ঠান ফেনওয়ে স্পোর্টিং গ্রুপ খেলোয়াড় কেনার জন্য অঢেল অর্থ ব্যয় করার জন্য আগ্রহী নয়। তারা অলরেডদের দলে ম্যাচ পরিবর্তনকারী খেলোয়াড়ের উপস্থিতি দেখতে চান। এর আগে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে অ্যালিসন ও ভার্জিল ভ্যান ডাইককে দলে ভেড়ায় লিভারপুল। তাদের পেছনে ব্যয় করা অর্থের কয়েকগুণ প্রতিদান ইতোমধ্যেই লিভারপুল পেয়েছে।

এবারের দলবদলের মৌসুমে এক থেকে দুইজন খেলোয়াড়কে কিনতে পারে লিভারপুল। আলবার্তো মরেনো এবং নাথানিয়েল ক্লাইন অ্যানফিল্ড ছাড়তে পারেন। এর ফলে ক্লপ একজন লেফট ব্যাক কিনতে পারেন। অন্যদিকে ড্যানিয়েল স্টুরিজ লিভারপুল ছাড়তে পারেন। তার জায়গায় আক্রমণভাগে ১৯ বছর বয়সী রিয়ান ব্রেওস্টারকে আনতে চান ক্লপ। সেই সাথে জার্মান ক্লাব লেভারকুসেন খেলা জুলিয়ান ব্র্যান্ডের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে লিভারপুল।

রিয়ান ব্রেওস্টার; Image Source: Getty Images

এদিকে লিভারপুলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় আগামী মৌসুমে চুক্তির শেষ বছরে পা রাখবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের সাথে চুক্তির মেয়াদ না বাড়ালে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে অন্য ক্লাবে যোগ দিবেন। কিন্তু এরপরও ক্লাব কর্তৃপক্ষ চিন্তিত নয়। যদি আগামী মৌসুমে দলে তাদের প্রয়োজনীয় মনে হয় তবেই চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে ইচ্ছুক লিভারপুল কর্মকর্তারা।

নিষেধাজ্ঞায় ভুগছে চেলসি

পয়েন্ট টেবিলের শেষ চারে থেকে লিগ শেষ করলেও চেলসির উপর দলবদলে নিষেধাজ্ঞার খড়গ ঝুলছে। ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর মধ্যে একমাত্র তারাই খেলোয়াড় কেনাবেচার ক্ষেত্রে মহাঝামেলায় রয়েছে। চেলসির পক্ষ থেকে ক্রীড়া আদালতে আপিল করা হয়েছে। কিন্তু সেই আপিলের উপর রায় জুলাইয়ের আগে হচ্ছে না। এর মধ্যে ট্রান্সফার উইন্ডোর অর্ধেক প্রায় শেষ হয়ে যাবে। মাউরিসিও সারির কপালে ভাজ তাই আরো বড় হচ্ছে।

২০১৮-১৯ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে ঠাই হয়নি ব্লুজদের। কিন্তু আগামীতে তারা ইউরোপের শীর্ষ টুর্নামেন্টে খেলবে। এর জন্য দলের শক্তিমত্তা বৃদ্ধি করা অতীব জরুরী। বর্তমানে একজন নিখাদ স্ট্রাইকার এবং একজন ওয়াইড অ্যাটাকারের জন্য বেশ মরিয়া হয়ে আছে চেলসি। কিন্তু সবকিছুই নির্ভর নিষেধাজ্ঞার রায়ের উপর।

নিষেধাজ্ঞা থাকলে চেলসি ছাড়তে পারবেন না হ্যাজার্ড; Image Source: independent.co.uk

যদি নিষেধাজ্ঞার খড়গ না উঠে তাহলে চেলসিকে তাদের বর্তমান স্কোয়াডকে নিয়েই আগামী মৌসুমে লড়াই চালাতে হবে। এর জন্য তারা অলিভিয়ের জিরুর সাথে চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে পারে। ধারে খেলতে আসা গঞ্জালো হিগুয়েইনের ক্ষেত্রেও একই কাজ করতে পারে চেলসি। মিচি বাতশুয়েই এবং ট্যামি আব্রাহামের সাথেও একই পথে হাঁটতে পারে লন্ডনের ক্লাবটি।

এদিকে দলের প্রাণভোমরা এডেন হ্যাজার্ড অনেকদিন ধরেই রিয়াল মাদ্রিদের সাথে কথাবার্তা চালাচ্ছেন। কিন্তু চেলসির নিষেধাজ্ঞা না উঠলে তাকে কোনো শর্তেই মাদ্রিদে যেতে দেবেন না সারি। পেদ্রো এবং উইলিয়ানের বয়স ত্রিশের কোঠায় পা দিয়েছে। এদিকে ক্যালাম হাডসন দীর্ঘদিন ইনজুরিতে ভুগছেন। তাই বর্তমানে চেলসির কাছে হ্যাজার্ড এক অমূল্য রত্ন। তার জন্য বড় অঙ্কের প্রস্তাব আসলেও বিক্রি করবে না চেলসি।

যদি নিষেধাজ্ঞা বাতিল করা হয় তাহলে হ্যাজার্ডকে রিয়ালের জার্সিতে দেখা যেতে পারে। এবং তার জায়গায় বার্সা থেকে কুতিনহো আসতে পারেন। ক্রিস্টাল প্যালেসের উইলফ্রেড জাহার দিকেও নজর রয়েছে চেলসির। তাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন এডিনসন কাভানি ও মার্কো অ্যাসেনসিও। নেইমারের সাথে কাভানির সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় তাকে বিক্রি করবে পিএসজি। অন্যদিকে অ্যাসেনসিও আসতে পারেন হ্যাজার্ডের চুক্তির বিনিময়ে।

সেসেগননকে দলে টানতে আগ্রহী টটেনহাম

গত মৌসুমে খেলোয়াড় কেনার জন্য কোনো অর্থই ব্যয় করেননি টটেনহাম কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো। এরপরও তার দল চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে পা রেখেছে। এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোতে অর্থ খরচ করবেন পচেত্তিনো। তিনি স্পার্সদের শক্তিমত্তা বৃদ্ধির জন্য বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন।

পচেত্তিনোর সবচেয়ে পছন্দ ফুলহামে খেলা রায়ান সেসেগননকে। কিন্তু সেসেগনন এবার হট কেক। তাকে কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে ম্যানইউ, পিএসজি, জুভেন্টাস, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, আরবি লেইপজিগ ও চেলসি। ১৮ বয়সী ফুলহাম তারকা অনূর্ধ্ব-২১ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের আগেই নিজের ভবিষ্যতের ঠিকানা নিশ্চিত করতে চাচ্ছেন। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের জন্য টটেনহাম এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না।

রায়ান সেসেগনন (সাদা জার্সি); Image Source: Reuters

এদিকে গ্রীষ্মেই ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনকে বিক্রি করতে পারে টটেনহাম। এরিকসেন চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আগ্রহী নন। টটেনহাম অবশ্যই চাইবে না সে আগামী মৌসুম শেষে ফ্রি এজেন্ট হোক। টটেনহাম এবার তাদের পছন্দের তালিকায় অ্যাস্টন ভিলার জ্যাক গ্রিলিশ এবং জাহাকেও রেখেছে। গ্রিলিশও চাইছেন ভিলা ছাড়তে। এখন বাকিটা ব্যাটে হলেই তাকে অ্যানফিল্ডে দেখা যাবে।

রক্ষণভাগে টবি অলডারভেইল্ডের চুক্তির মেয়াদ আর এক বছর আছে। তার রিলিজ ক্লজও মাত্র ২৫ মিলিয়ন পাউন্ড। যদি তিনি দল ছাড়েন তার বিকল্প খেলোয়াড় দলে ভেড়াতে হবে। টটেনহামের আক্রমণভাগেও নজর রাখতে হচ্ছে। ৩৪ বছর বয়সী ফার্নান্দো লরেন্তে ক্যারিয়ারের শেষভাগে চলে এসেছেন। তার উত্তরসূরিকে এখন থেকেই প্রস্তুত করতে হবে সারির।

রামসির বিকল্প খুঁজছে আর্সেনাল

এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোতে আর্সেনালের একসাথে চার পাঁচজন খেলোয়াড়কে দলে ভেড়ানোর সম্ভাবনা নেই। তবে এরপরও তাদের বুঝেশুনেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। কেননা এবার তাদের বাজেট একটি বড় প্রভাবক। চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তারা ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করতে রাজি। কিন্তু ইউরোপা লিগের জন্য গানাররা বড়জোর ৪০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করবে।

এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোতে একজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার এবং একজন বক্স টু বক্স মিডফিল্ডারে গুরুত্ব দিচ্ছে আর্সেনাল। দলবদলের মৌসুমে গানারদের মূল টার্গেট অ্যারন রামসির বিকল্প কাউকে কেনা। এর জন্য তারা গেতাফের সেন্টার ব্যাক ডাকোনামের কথা ভাবছে। যদিও তার ক্লাবের সাথে ২০২১ পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। সাথে রিলিজ ক্লজ আছে ৩৫ মিলিয়ন ইউরো।

আর্সেনাল ছাড়ছেন অ্যারন রামসি; Image Source: Getty Images

শীতকালীন দলবদলের সময় পিএসজি তারকা ক্রিস্টোফার এনকুনকু এবং আদ্রিয়েন রাবিওটের সাথে চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত কাজের কাজ হয়নি। গ্রীষ্মের দলবদলের কেনার জন্য গানাররা আবার চেষ্টা চালানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ। গত দলবদলের সময় ওয়াইড ফরোয়ার্ডের জন্য ইন্টার মিলানের ইভান পেরিসিচ এবং ইয়ানিক ক্যারাসকোর সাথে আলোচনা হয় আর্সেনালের। এনকুনকুদের মতো তাদের পরিস্থিতিও একই রকম। আর্সেনালের স্কোয়াডে থাকা তরুণ ফুটবলার রেইস নেলসন, এমিলি স্মিথ, জো উইললক এবং বুকায়ো সাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে। এমেরি এদের মধ্য থেকে দুই একজন প্রথম দলে সুযোগ দিতে পারেন। বাকিদের ধারে পাঠাতে পারেন।

কুলিবালি ও সাঞ্চোতে নজর রেখেছে ম্যানইউ

সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে হতাশাজনক পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে ম্যানইউ। হোসে মরিনহোকে সরিয়ে ওলে গানার সলশেয়ারকে এনেও খুব বেশি উপকৃত হতে পারেনি রেড ডেভিলরা। এবার তারা দলকে শক্তিশালী করার কথা ভাবছে। এর জন্য তরুণ ও অভিজ্ঞ উভয় খেলোয়াড়দের দিকে নজর রাখছে ইউনাইটেড। পজিশনের ক্ষেত্রে তারা সেন্ট্রাল ডিফেন্স, ফুলব্যাক, সেন্ট্রাল মিডফিল্ড ও উইংয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে ম্যানইউ।

ম্যানইউর প্রথম পছন্দ নাপোলির সেন্টার ব্যাক কালিদু কুলিবালি। কিন্তু এই সেনেগালিজ তারকার উচ্চমূল্য রেড ডেভিলদের হতাশ করতে পারে। নাপোলির সাথে কুলিবালির ২০২৩ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে তাকে কোনো দল কিনতে চাইলে রিলিজ ক্লজ প্রদান করতে হবে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো। রিলিজ ক্লজ প্রদান ছাড়া তাকে কেনা প্রায় অসম্ভব। আপাতত কুলিবালিকে বিক্রি করার কোনো ইচ্ছাই নেই নাপোলির।

কালিদু কুলিবালি; Image Source: EPA

ইউনাইটেড তাদের রাডারে ওয়ান বিসাকা এবং রাবিওটকেও রেখেছে। এর জন্য পল পগবা ওল্ড ট্রাফোর্ড ছাড়ার উপর নির্ভর করতে হবে। কুলিবালির পরে জাডোন সাঞ্চোকে দলে ভেড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে ম্যানইউ। কিন্তু সাঞ্চোকে নজরে রেখেছে পিএসজি, বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। তাকে কেনার জন্য প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে হবে। সাঞ্চোর পেছনে রেড ডেভিলদের ১০০ মিলিয়ন ব্যয় করার সম্ভাবনা নেই।

Featured Image Source: dailymail.co.uk

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *